২৫ বছরের ইতিহাসের মধ্যে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের পথচলা উত্তেজনা এবং হতাশার মিশ্রণ। শুরুতে স্বপ্ন ছিল সেরা চার দলের মধ্যে থাকার, কিন্তু বাস্তবতা অনেকটাই ভিন্ন। সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান মনে করেন, ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার সময় দলটি নিজস্ব মাঠে খেলত না, অনুশীলনের সুযোগ সীমিত ছিল। তবুও আজ সুযোগ অনেক, কিন্তু মানসিকতার অভাব এবং ছোট ছোট সমস্যায় সহজেই মনোবল হারানোর প্রবণতা বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের পিছনে রাখে।
সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদের মতে, ভারতের মতো দেশ যেখানে আইপিএল হয় এবং খেলোয়াড়দের সুযোগ সীমিত, সেখানে তাদের মানসিক দৃঢ়তা অসাধারণ। কিন্তু বাংলাদেশে সুযোগের অভাব নয়, বরং ভুল পরিকল্পনা ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে আমাদের ক্রিকেট এখনও পিছিয়ে আছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশের ক্রিকেট সংস্কৃতি এমন যে চাইলেও কেউ বিরাট কোহলি হতে পারবে না।”
হাবিবুল বাশার বলেন, ধারাবাহিকতা না থাকায় ব্যাটসম্যানরা বড় ইনিংস খেলতে পারেন না। বড় ইনিংসের জন্য মানসিক ফিটনেস অপরিহার্য, যা ঘরোয়া ক্রিকেটের মধ্যেই তৈরি হয়। তবে আধুনিক ক্রিকেটে সাদা বলের প্রতি ঝোঁক বেশি এবং বড় ইনিংসের প্রয়োজনীয় ধৈর্য হ্রাস পেয়েছে। “উন্নতির জন্য লাল বলের ক্রিকেটই মূল মাপকাঠি,” তিনি মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে বড় স্বপ্ন দেখার জন্য আরও কঠোর পরিকল্পনা, অবকাঠামোগত উন্নতি, মানসিক প্রশিক্ষণ এবং যোগ্য নেতৃত্বের বিকাশ অপরিহার্য।