ফিল হিউজের অকালমৃত্যুর ১১ বছর পূর্ণ হয়েছে। ২০১৪ সালের ২৫ নভেম্বর সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হিউজকে ব্যাটিং করার সময় গুরুতর আঘাত লেগেছিল। ২৬তম জন্মদিনের তিন দিন আগে তার জীবন শেষ হয়। হিউজের মৃত্যু শুধু অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট নয়, বিশ্ব ক্রিকেটকেও প্রভাবিত করেছে। কনকাশন সাব এবং হেলমেটের নিরাপত্তা বৃদ্ধি—সবই তার স্মৃতিতে উদ্ভূত।
লেখকের স্মৃতিতে ঢাকার রমন লাম্বার ঘটনাও ফিরে আসে। ১৯৯৮ সালে আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে ফিল্ডিং করার সময় বলের আঘাতে আহত হন লাম্বা। তিনি তিন দিন বাঁচলেও শেষ পর্যন্ত মারা যান। ঢাকার ক্রিকেটের এই নক্ষত্র ছিলেন দর্শকপ্রিয় এবং খেলায় অনন্য প্রতিভার অধিকারী।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হিউজের স্মৃতিসৌধ এবং ঢাকার মাঠে লাম্বার স্মৃতিচিহ্নের অভাব—এই দুই প্রেক্ষাপট ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে এক দুঃখজনক তুলনা সৃষ্টি করে। হিউজ ও লাম্বা—দুই ক্রিকেটারের অকালমৃত্যু ক্রিকেটের জন্য চিরস্মরণীয় শিক্ষা এবং শোকের উদাহরণ হয়ে থাকবে।
ফিল হিউজের মৃত্যুবার্ষিকী প্রতি বছর ক্রিকেট বিশ্বকে স্মরণ করায় যে হিউজ কতো বড় খেলোয়াড় ছিলেন। ২০১৪ সালের ২৫ নভেম্বর সিডনির ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হিউজকে ব্যাটিং করার সময় বাউন্সার আঘাত করেছিল, আর ২৬ টেস্ট এবং ২৫টি ওয়ানডেতে সমাপ্ত হওয়া তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের বদলে রয়ে গেছে শুধুই শোকের নাম।
এই মৃত্যু কেবল অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকেও প্রভাবিত করেছে। হেলমেটের নিরাপত্তা বাড়ানো, কনকাশন সাব প্রবর্তন—সবই হিউজের মৃত্যু থেকে উদ্ভূত পরিবর্তন। কিন্তু হিউজের এই স্মৃতিচারণে লেখকের মনে পড়ে যায় ঢাকার ক্রিকেটার রমন লাম্বার কথা, যিনি ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে ফিল্ডিং করতে গিয়ে বলের আঘাতে গুরুতর আহত হন। লাম্বা তিন দিন বাঁচতে পারলেও শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয়।
লাম্বা ঢাকার ক্রিকেটে এক আলোড়নের নাম ছিলেন। তিনি ব্যাটিং, ফিল্ডিং এবং দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে একটি নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছিলেন। হিউজের মৃত্যুর মতো লাম্বার ঘটনাও স্মৃতিতে অমর হয়ে আছে, যদিও ঢাকায় তার জন্য কোন স্মৃতিচিহ্ন তৈরি হয়নি।
লেখক বলেছেন, “মৃত্যু মানুষকে এমন জগতে নিয়ে যায়, যেখানে রাগ, ক্ষোভ, অভিমান বলে কিছু থাকে না। হিউজ এবং লাম্বার স্মৃতি ক্রিকেটপ্রেমীদের চিরকাল মনে থাকবে।”