হাবিবুর রহমান লিখলেন বাংলাদেশের টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটের নতুন ইতিহাস। রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে হংকং চায়নার বিপক্ষে রেকর্ড গড়া এক ইনিংসে মাত্র ৩৫ বলেই সেঞ্চুরি হাঁকান বাংলাদেশ ‘এ’ দলের এই ওপেনার। এর মাধ্যমে তিনি ভেঙে দিলেন পারভেজ হোসেন ইমন-এর ৪২ বলের পুরনো রেকর্ড।
দোহায় অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘এ’-র ম্যাচে ১৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করেন হাবিবুর। প্রথম ওভারে পরপর তিনটি ছক্কা মেরে জানান দেন তিনি আজ অন্য মেজাজে আছেন। দ্বিতীয় ওভারেও তিন চার ও একটি ছক্কায় বাড়ান রান তোলার গতি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যেই তিনি তুলে ফেলেন ২৫ বলে ৮৮ রান, যেখানে রয়েছে ১০টি বিশাল ছক্কা—সবকটিই পাওয়ার প্লের ভেতর।
তার সঙ্গী ওপেনার জিশান আলমও অবদান রাখেন ১৪ বলে ২০ রান করে। দু’জনে মিলে গড়ে তোলেন ৩৯ বলে ১১১ রানের জুটি, যা ম্যাচের গতিপথ একাই পাল্টে দেয়। হাবিবুর প্রথম ২৪ বলে ৮৮ রান করায় মনে হচ্ছিল তিনি হয়তো সাহিল চৌহানের ২৭ বলে বিশ্ব রেকর্ড সেঞ্চুরিও ভেঙে দেবেন। তবে শেষ ১২ রান করতে সময় লাগে ১১ বল, ফলে রেকর্ডটি আর হাতছোঁয়া দূরত্বে থাকে।
ম্যাচের শেষ দিকে অধিনায়ক আকবর আলী ঝড় তোলেন। তিনি ১৩ বলে অপরাজিত ৪১ রান করেন, যার মধ্যে রয়েছে ৫ ছক্কা—এগুলো এক ওভারের শেষ পাঁচ বলে।
যদিও ব্যাটিং দাপটে বাংলাদেশ সহজেই জেতে, বোলিং বিভাগ ছিল বেশ হতাশাজনক। শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশ খরচ করে ১০২ রান। শেষ ওভারে আবু হায়দার দেন ২৬ রান, যার ফলে হংকং তুলতে পারে ১৬৭। দলটির হয়ে বাবর হায়াত করেন ৪৯ বলে ৬৩ রান।
১৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হাবিবুর শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং দেখান। প্রথম ওভারে পরপর তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে জানান, আজ তিনি অন্য মেজাজে। দ্বিতীয় ওভারেও তিন চার ও একটি ছক্কা মেরে রানের গতি বাড়ান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে তিনি তুলে ফেলেন ২৫ বলে ৮৮ রান, যেখানে ছিল ১০টি বিশাল ছক্কা—সবকটিই পাওয়ার প্লের ভেতর।
তার সঙ্গী জিশান আলম ১৪ বলে ২০ রান করে অবদান রাখেন। দু’জনে মিলিয়ে ৩৯ বলে ১১১ রানের জুটি গড়ে দেন, যা পুরো ম্যাচের গতিপথই পাল্টে দেয়। হাবিবুর প্রথম ২৪ বলে ৮৮ রান করায় মনে হচ্ছিল, তিনি হয়তো সাহিল চৌহানের ২৭ বলের বিশ্ব রেকর্ড সেঞ্চুরিও ভেঙে দেবেন, তবে শেষ ১২ রান করতে সময় লাগে ১১ বল, ফলে বিশ্ব রেকর্ডটি হাতছোঁয়া দূরত্বে থেকে যায়।