চট্টগ্রামের আকাশে অপেক্ষার মেঘ। কারণ আজকের ম্যাচটি শুধু সিরিজের নয়, ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের জন্য। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে মাত্র আর একটি উইকেট নিলেই তিনি পা রাখবেন ৫০ উইকেটের অভিজাত ক্লাবে।
বর্তমানে বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে ৫০ বা তার বেশি উইকেট রয়েছে মাত্র সাতজন বোলারের। সেই তালিকায় মুস্তাফিজুরের নেতৃত্ব নিশ্চিত—১৫৫ উইকেট নিয়ে তিনি দেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী। তারপরে আছেন সাকিব, তাসকিন, রিশাদসহ অন্যরা। এই তালিকায় আরেকজন স্পিনারের নাম যুক্ত হওয়া নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের বোলিং শক্তির প্রমাণ।
নাসুম যেদিন আন্তর্জাতিক অভিষেক করেছিলেন, সেদিনও তাকে নিয়ে আলোচনা ছিল। ২০২১ সালে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তিনি সেটাই প্রমাণ করেছিলেন যে তিনি ভবিষ্যতের ভরসা। এরপর সময়ের সঙ্গে খেলার ধরন বদলেছে, ফরম্যাট বদলেছে, কিন্তু নাসুমের ছন্দের ধরন বদলায়নি।
এখনো পর্যন্ত তিনি ৪৮ ম্যাচে ১ হাজার ৯৪ রান খরচ করে নিয়েছেন ৪৯ উইকেট। এই সংখ্যা শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে তার অপরিবর্তনীয় অবস্থানের প্রতীক।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে উইকেট না পেলেও তিনি দলের পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আছেন। কারণ তার স্পিন বৈচিত্র্য এবং পাওয়ারপ্লেতে নিয়ন্ত্রণ আনার ক্ষমতা দলের বোলিং আক্রমণে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
এবার চট্টগ্রামের ম্যাচটি হতে পারে নাসুমের জন্য সেই বিশেষ দিন, যেদিন তিনি নিজের ক্যারিয়ারে আরেকটি বড় মাইলফলক স্পর্শ করবেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরাও অপেক্ষায়—এই স্পিনার কবে তুলে নেবেন তার পঞ্চাশতম উইকেট।
বর্তমানে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারী মুস্তাফিজুর রহমান, ১৫৫ উইকেট নিয়ে তিনি শীর্ষে। তারপরে আছেন সাকিব আল হাসান, তাসকিন আহমেদ, রিশাদুল ইসলাম ও অন্যান্যরা। এই তালিকায় নাসুমের নাম যুক্ত হওয়া মানে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে আরও শক্তিশালী হওয়ার প্রমাণ।
নাসুমের আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু হয় ২০২১ সালে হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। প্রথম ম্যাচ থেকেই তিনি দেখিয়েছিলেন, তিনি ভবিষ্যতের ভরসা। এরপর ফরম্যাট বদলেছে, খেলার ধরন বদলেছে—কিন্তু নাসুমের স্পিনের ছন্দ কখনও বদলায়নি।
এখন পর্যন্ত ৪৮ ম্যাচে ১,০৯৪ রান খরচ করে নিয়েছেন ৪৯ উইকেট। পরিসংখ্যানের বাইরে, এই সংখ্যা বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে তার অপরিবর্তনীয় অবস্থান প্রমাণ করে।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে উইকেট না পেলেও নাসুম দলের পরিকল্পনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় ভূমিকায়। তার স্পিনের বৈচিত্র্য, পাওয়ারপ্লেতে নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে চাপ সামলানোর ক্ষমতা দলের বোলিং আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।