বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে দেখাল তাদের শক্তি, নেপালকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালে এক পা রেখে দিল যুবা টাইগাররা। বোলারদের সুনিপুণ নিয়ন্ত্রণ এবং ওপেনার জাওয়াদ আবরারের অপরাজিত ৭০ রানের ইনিংস দলের জয় নিশ্চিত করে।
এই জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেমিফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেছে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তান যদি শ্রীলঙ্কার কাছে হারে, তবে এক ম্যাচ হাতে রেখেই শেষ চারে নিশ্চিত হবে যুবা টাইগাররা।
সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমি মাঠে, টস জিতে নেপালকে ব্যাটিংয়ে পাঠান অধিনায়ক আজিজুল হক তামিম। আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের দাপটে নেপালের ব্যাটাররা দ্রুতই চাপে পড়ে। দলীয় ৬১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে নেপালের শুরুতে ভয়ঙ্কর ব্যাটিং বিপর্যয় দেখা দেয়। শীর্ষ ব্যাটাররা যেমন:
- শাহিল প্যাটেল – ১৮
- ভানস ছেত্রী – ৪
- নিরাজ কুমার – ১৪
- কিবরিন শ্রেষ্ঠা – ৫
- নিশ্ছল – ০
এরপর অধিনায়ক অশোক ধামি মাত্র ৫ রান করে আউট হন। যদিও আশিষ লুহা (২৩) ও অভিষেক তিওয়ারি (৩০) কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন, তারপরও নেপাল ৩১.১ ওভারেই ১৩০ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সবুজ ৩টি উইকেট নেন।
উদ্বোধনী জুটি থেকে ১৩১ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ কিছুটা চাপের মুখে পড়ে। মাত্র ২৯ রানে জোড়া উইকেট হারায় তারা। রিফাত বেগ (৫) ও অধিনায়ক তামিম (১) দ্রুত আউট হন।
এরপর জাওয়াদ আবরার ও কালাম সিদ্দিকি ক্রিজে এসে নেপালের বোলারদের ওপর চড়াও হন। এই জুটি ৯২ রানের স্থিতিশীল পার্টনারশিপ গড়ে দলকে জয়দূর এগিয়ে নিয়ে যায়। কালাম ৩৪ রান করে আউট হলেও জাওয়াদ তার ফিফটি পূর্ণ করে ৭০ রান অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। রিজান হোসেন ৮ বলে ১২ রানে অবদান রাখেন।
নেপালের পক্ষে অভিষেক ও যুবরাজ ক্ষাত্রী এক করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশ বনাম নেপাল: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
| বিষয় | বাংলাদেশ | নেপাল |
| রানের লক্ষ্য/স্কোর | ১৩১/৩ | ১৩০ অলআউট |
| সর্বোচ্চ ব্যাটসম্যান | জাওয়াদ আবরার ৭০* | অভিষেক তিওয়ারি ৩০ |
| গুরুত্বপূর্ণ জুটি | জাওয়াদ & কালাম ৯২ | আশিষ লুহা & অভিষেক তিওয়ারি ৫৩ |
| সেরা বোলার | সবুজ ৩ উইকেট | অভিষেক, যুবরাজ – ১টি করে |
| জয় | ৭ উইকেটে | হার |