মধ্যাহ্ন বিরতির পর বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দ্রুত দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে আয়ারল্যান্ডের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেন। এই পদক্ষেপ ছিল সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী এবং পরিকল্পিত। বাংলাদেশের উদ্দেশ্য ছিল এমন এক লক্ষ্য স্থাপন করা যা আয়ারল্যান্ডের কাছে প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
মুমিনুল হকের ব্যাট থেকে আসে ৮৭ রানের সুনিপুণ ইনিংস। ১০ চারের মধ্যে তিনি ১১৮ বল খেলেন এবং টানা তিন ইনিংসে ফিফটি হাঁকানোর ধারাবাহিকতা দেখালেন। অন্য প্রান্তে মুশফিকুর রহিমও পিছপা হননি; প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনি ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন এবং টেস্ট ক্রিকেটে এক বিরল কীর্তি গড়ে তুলেন।
মুশফিকুর এই কীর্তি ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে শততম টেস্টে দুই ইনিংসে যুগল সেঞ্চুরি বা ফিফটি করা। এই রেকর্ড আগে কেবল রিকি পন্টিংর দখলে ছিল। মুশফিকের এই অবদান বাংলাদেশকে কেবল মানসিকভাবে শক্তিশালী করে না, বরং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিশ্চিত করে।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯৭ রান করে এবং আয়ারল্যান্ডের সামনে ৫০৯ রানের অসম্ভব লক্ষ্য দাঁড়ায়। চতুর্থ দিনের শেষে আয়ারল্যান্ড ৩ উইকেটে ১৪১ রান সংগ্রহ করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তবে শেষ পর্যন্ত বিজয় স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকে আছে।
বাংলাদেশের বোলাররা প্রথম দিন থেকেই কৌশলগতভাবে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিংকে আটকায়। মুশফিক-মুমিনুলদের ব্যাটিং এবং বোলারদের চমৎকার পারফরম্যান্স মিলিয়ে ম্যাচ শেষ দিনে বাংলাদেশের জয় অনিবার্য দেখাচ্ছে।