অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান মারনাস লাবুশাগন মনে করেন, দলের অভিজ্ঞতা তাদের জন্য দ্বিতীয় অ্যাশেজ টেস্টে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা এনে দিতে পারে। ইংল্যান্ড তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো গোলাপি বল ব্যবহার করছে, যা তাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ।
অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্য দেশগুলোর চেয়ে বেশি দ্যাশ-নাইট টেস্ট আয়োজন করেছে। শেফিল্ড শিল্ডেও আলোতে গোলাপি বল খেলা হয়েছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান বেন অলিভার বলেন, এই ধরণের ম্যাচ খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা বাড়ায় এবং আন্তর্জাতিক স্তরের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাহায্য করে।
লাবুশাগন বলেন, “গোলাপি বলের সঙ্গে খেলার সময় কিছু জটিলতা আছে। প্রথমে সবাই লাল বল পছন্দ করেছিল। কিন্তু আমরা শিখেছি কখন কীভাবে খেলা উচিত। এই অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য সুবিধা আনতে পারে।”
মিচেল স্টার্ককে তিনি বিশ্বের সেরা গোলাপি বলের সুইং বোলার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। “তার উচ্চ গতি এবং লেট সুইং মিলিয়ে ব্যাটসম্যানদের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং। সঠিক সময় ও পরিস্থিতিতে তাকে মোকাবেলা করা কঠিন।”
লাবুশাগনের দ্যাশ-নাইট টেস্টে গড় ব্যাটিং ৬৩.৮৬। তিনি বলেন, “দিন-রাতের আলোর পরিবর্তন এবং সময়ের সঙ্গে খেলার ধরন পরিবর্তন হয়। সঠিক সময়ে খেলার কৌশল ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বদলাতে পারে। কিছু সময় খেলা ধীর, কিছু সময় দ্রুত। খেলার মুহূর্তগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।”
ভারত বিরোধী ম্যাচে নাথান ম্যাকসুইনির সঙ্গে রাতের সেশন উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “যদি রাতের সেশন ভালোভাবে পার করি, পরবর্তী দিনে সুবিধা নিতে পারি।” ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে তিনি বলেন, “যেখানে নামবেন, সেটি সময়ের সঙ্গে খেলার সুবিধা দেয়, কিন্তু মূল বিষয় রান করা।”