আইসিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়দের পাঁচ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। দুই দলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কম ওভার সম্পন্ন করার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এই শাস্তি দেওয়া হয়।
আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ ধারা অনুযায়ী, ন্যূনতম ওভার রেট বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট দলের খেলোয়াড়দের প্রতি কম পড়া ওভারের জন্য ম্যাচ ফির পাঁচ শতাংশ হারে জরিমানা করা হয়। তবে জরিমানার হিসাব নির্ধারণের সময় ম্যাচের পরিস্থিতি ও অনুমোদিত সময়ের ছাড় বিবেচনায় নেওয়া হয়।
ম্যাচ শেষে হিসাব করে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দুই ওভার কম বল করেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা পিছিয়ে ছিল এক ওভার। ফলে নিয়ম অনুযায়ী পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়দের পাঁচ শতাংশ জরিমানা করা হয়।
দুই দলের বিরুদ্ধে স্লো ওভার রেটের অভিযোগ আনেন ম্যাচে দায়িত্ব পালন করা আম্পায়াররা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অনফিল্ড আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব ও ওয়েন নাইটস, তৃতীয় আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ এবং চতুর্থ আম্পায়ার ফয়সাল আফ্রিদি।
পরে ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রো দুই দলের জন্য শাস্তির প্রস্তাব দেন। পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি এবং শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস সেই প্রস্তাব মেনে নেন। ফলে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি এবং প্রস্তাবিত শাস্তিই কার্যকর হয়।
ক্রিকেটে স্লো ওভার রেটের বিষয়টি কেবল সময় ব্যবস্থাপনার সমস্যা নয়, এটি খেলার শৃঙ্খলা বজায় রাখারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে না পারলে খেলোয়াড়দের আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হয়। এ ধরনের বিধানের উদ্দেশ্য হলো ম্যাচের গতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমানো।
ত্রিদেশীয় সিরিজের শুরুতেই দুই দলের জরিমানার ঘটনা তাই আলোচনায় এসেছে। পাকিস্তান জয় দিয়ে অভিযান শুরু করলেও শাস্তির কারণে তাদের অর্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আর্থিক জরিমানার বিষয়টি। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কাকেও পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ওভার রেটের দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে। সিরিজে ভালো ফলের পাশাপাশি আইসিসির নিয়ম মেনে খেলা শেষ করাও দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।