অস্ট্রেলিয়ার পার্থ টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মাঠে অস্ট্রেলিয়ার দল তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। ইংল্যান্ডের দল দ্বিতীয় দিনের মধ্যে গুঁড়িয়ে পড়ায় ম্যাচের তৃতীয় ও চতুর্থ দিনের টিকিট বিক্রয় থেকে সিএ যে অর্থ আশা করেছিল তা আর সম্ভব হয়নি।
দুই দিনে ম্যাচ শেষ হওয়ায় সিএ সম্ভাব্য ৩০ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার হারানোর মুখে। প্রথম দিনে উপস্থিতি ছিল ৫১,৫৩১ দর্শক, দ্বিতীয় দিনে ৪৯,৯৮৩। এই দুই দিনের দর্শকসংখ্যা গত বছরের অস্ট্রেলিয়া-ভারত টেস্টের চার দিনের দর্শকসংখ্যার চেয়ে বেশি। তৃতীয় দিনে আরও দর্শক আসার সম্ভাবনা ছিল, কারণ এটি সপ্তাহান্তের ছুটি। কিন্তু দ্রুত সমাপ্তির কারণে দর্শকরা তাদের প্রত্যাশিত ক্রিকেট উপভোগ করতে পারেননি।
দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ড মাত্র ৩৪.৪ ওভারে সব উইকেট হারায়। অস্ট্রেলিয়া মাত্র ২৮.২ ওভারে ২০৪ রানের লক্ষ্য পূর্ণ করে ম্যাচ জিতে নেয়। ট্রাভিস হেডের ৮৩ বলে ১২৩ রানের ইনিংস ছিল অভূতপূর্ব।
সিএর প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ আগেই সতর্ক করেছিলেন যে, খেলা যদি তৃতীয় দিনে পৌঁছাতে না পারে, তা আর্থিক ক্ষতির কারণ হবে। তিনি রেডিওতে উল্লেখ করেছিলেন, ক্ষতি শুধুমাত্র সিএ নয়, স্পনসর ও সম্প্রচারককেও প্রভাবিত করবে।
এখন অস্ট্রেলিয়ার দৃষ্টি ব্রিসবেনে পরবর্তী টেস্টের দিকে। ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচে দর্শক, স্পনসর এবং সিএর আর্থিক স্বার্থ সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। দ্রুত শেষ হওয়া পার্থ টেস্টের অভিজ্ঞতা সিএর জন্য একটি সতর্কবার্তা হয়ে থাকল।