সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনটি শুরু হয় আয়ারল্যান্ডের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে। প্রথম দিনে ২৭০ রানে শেষ করা তাদের ইনিংস দ্বিতীয় দিনের সকালে মাত্র ১৪ বলের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। শেষ দুটি উইকেট হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইনিংস ২৮৬ রানে গুটিয়ে যায়।
আইরিশদের কোচ আগের দিন বলেছিলেন, সুযোগ পেলে তারা ৬০০ রানের বেশি সংগ্রহ করতে পারবে। কিন্তু বাংলাদেশের বোলাররা সকালে প্রথম ওভারেই সামান্য রান দিয়ে নিজেদের আক্রমণ শুরু করেন। দ্বিতীয় ওভারে তাইজুল ইসলামের বলে ম্যাথু হ্যামফ্রিজ এলবিডব্লিউ হন। পরবর্তী পর্যায়ে হাসান মাহমুদের দারুণ বোলিংয়ে ব্যারি ম্যাকার্থি ৩১ রান করে আউট হন।
মেহেদী হাসান মিরাজ সর্বোচ্চ সফল বোলার হিসেবে ৩ উইকেট নেন। এছাড়া হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলাম ২টি করে উইকেট নেন। ব্যাটিং লাইনআপের মধ্যবর্তী ব্যাটসম্যানদের বিপর্যয়কর ব্যাটিং আক্রমণ ব্যর্থ হওয়ায় আয়ারল্যান্ড বড় সংগ্রহের আশা হারায়।
আয়ারল্যান্ডের স্কোর অনুযায়ী পল স্টার্লিং ৬০, কেড কারমাইকেল ৫৯, কার্টিস ক্যাম্পার ৪৪ এবং লোরকান টাকার ৪১ রান করেন। ব্যারি ম্যাকার্থি ৩১ রান করে আউট হন।
বাংলাদেশের বোলিং পারফরম্যান্স চোখে পড়ে বিশেষভাবে। প্রথম দিন থেকে নিয়ন্ত্রিত বোলিং আক্রমণে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনভেঙে পড়েছে। দ্বিতীয় দিনেই প্রমাণিত হয়েছে যে, বাংলাদেশ টেস্টে তাদের আধিপত্য দেখাতে সক্ষম।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব বেড়ে গেছে। তাদের যদি ধৈর্য ও কৌশল সঙ্গে রাখেন, তাহলে টেস্টে বড় রান ও জয় নিশ্চিত হবে।